জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, শেখ হাসিনার এ দেশের মাটিতে কোনোদিন সমাধি হবে না এবং তাঁর ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: জুলাই বিপ্লবের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সারজিস আলমের এই মন্তব্য বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। এটি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে।
যা ঘটেছে: রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে আয়োজিত এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় সারজিস আলম দাবি করেন, শেখ হাসিনার কর্মফলই তাঁর পতনের মূল কারণ। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচনের দাবি জানান।
- সংখ্যায়: পার্বত্য অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষায়িত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। সভায় এনসিপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সার্বিক চিত্র: পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সারজিস। তিনি অভিযোগ করেন যে, বড় অঙ্কের বরাদ্দ সত্ত্বেও প্রত্যন্ত এলাকার যোগাযোগ, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থায় এখনো চরম সংকট বিদ্যমান।
এরপর কী: সারজিস আলম পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় ৫০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া জেলা পরিষদকে রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের মতো ব্যবহার না করে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।
সারকথা: মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন রাজনৈতিক পরিবেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এনসিপির মূল লক্ষ্য। দলটির নেতারা পার্বত্য চট্টগ্রামের সামগ্রিক পরিবর্তনের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

