মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নয়টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে এবং দেশটির নৌবাহিনীর অবশিষ্ট অংশ ধ্বংস করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ধ্বংস হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি বেশ বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তিনি আরও জানান যে, পৃথক এক হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একজন কর্মকর্তা ট্রাম্পের এই বার্তার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ইরানি সক্ষমতা নষ্ট করতেই মূলত এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেলের সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত শনিবার ইরানের নৌবাহিনী জরুরি রেডিও চ্যানেলের মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী বন্ধের বিষয়ে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল।
এরপর গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ ও ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর ফলে ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক জাহাজ মাঝসমুদ্রে নোঙর করে আছে।
এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন দক্ষিণ ইরানের চাবাহার বন্দরে ইরানের একটি ‘জামারান-ক্লাস’ কর্ভেট ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেন্টকমের পক্ষ থেকে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী, আইআরজিসি এবং পুলিশ সদস্যদের অস্ত্র ত্যাগ করে জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সীমিত আকারে জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকলেও পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে।

