নেত্রকোণার দুর্গাপুরে একটি গোয়ালঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৭৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করেছে পুলিশ এবং এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাবা ও মেয়েকে আটক করা হয়েছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের এই বিশাল চালান উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করে যে, মাদক কারবারিরা নিত্যনতুন কৌশলে চোরাচালান অব্যাহত রেখেছে।
- প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের এই মাদকের চালানটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তা নস্যাৎ হয়েছে।
যা ঘটেছে: দুর্গাপুরের বাগিচাপাড়া এলাকায় ট্রাক চালক জলিল আকন্দের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোয়ালঘরের ভেতর বস্তায় ভরে অত্যন্ত কৌশলে এই বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
অন্তরালে যা আছে: আটককৃত শফিকুল ইসলাম ও তার মেয়ে নাজমুন নাহার খানম তামান্না মূলত মূল হোতা জলিল আকন্দের আত্মীয়।
- ট্রাক চালক জলিল দীর্ঘদিন ধরে পেশার আড়ালে ভারত থেকে মাদক এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
সংখ্যায়: উদ্ধার হওয়া ৭৪০ বোতল ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অভিযানের সময় পুলিশ একটি ট্রাকও জব্দ করেছে, যা মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর কি হবে: মূল অভিযুক্ত জলিল আকন্দ বর্তমানে পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া এই চক্রের সাথে আর কারা জড়িত এবং মাদকের এই বিশাল নেটওয়ার্কের পেছনে কারা অর্থায়ন করছে, তা বের করতে তদন্ত শুরু করেছে দুর্গাপুর থানা পুলিশ।
সারকথা: মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
গভীরেঃ দূর্গাপুরের সব খবর দেখুন

