দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারত থেকে আমদানিকৃত ৯ টন ২০০ কেজি মরিচের প্রথম চালান বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছেছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: টানা অতিবৃষ্টির ফলে দেশীয় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। এই আমদানি বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে দাম সহনীয় পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।
সামগ্রিক চিত্র: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রবেশ করা এই মরিচের চালানটি দ্রুত খালাস করে ঢাকার পাইকারি বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শিমু এন্টারপ্রাইজ জানিয়েছে, প্রতি কেজি মরিচ আমদানিতে তাদের খরচ পড়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা, যা খুচরা বাজারে দাম কমাতে সহায়তা করবে।
অন্তরালে যা আছে: আমদানিকারকরা কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতা ও পণ্য খালাসে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন, যা তাদের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
- তাদের মতে, সরকারি পর্যায়ে প্রশাসনিক জটিলতা কমালে এবং প্রক্রিয়াটি সহজ করলে আমদানিকারকরা আরও বড় পরিসরে পণ্য আনতে উৎসাহিত হবেন, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।
এরপর কী: বেনাপোল বন্দরের পরিচালক জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপারে আরও বেশ কয়েকটি ট্রাক কাঁচা মরিচ নিয়ে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। নিয়মিত আমদানি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং দাম আরও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সারকথা: বেনাপোলের স্থানীয় বাজারে ইতিমধ্যেই মরিচের দাম কিছুটা কমে ২৮০ টাকায় নেমে এসেছে। ভারত থেকে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকবে।

