যশোরের শার্শা থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আব্দুল কাদের নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: সীমান্তবর্তী এলাকা হিসেবে পরিচিত বেনাপোল ও শার্শা অঞ্চলে মাদক চোরাচালান রোধে এটি একটি বড় সাফল্য। এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেটের একটি বড় নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
যা ঘটেছে: রোববার সকাল ৯টার দিকে শার্শা থানার জিবলীতলা আইসি ক্যাম্প মোড় এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলাচলকারী একটি থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রা থামিয়ে তল্লাশি চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
অন্তরালে যা আছে: আটক আব্দুল কাদের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী বুজতলা পূর্বপাড়ার মৃত ইমান আলী মণ্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরেই সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ইয়াবার পাশাপাশি একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে, যা তার মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের শনাক্ত করতে সহায়ক হবে।
সংখ্যায়: অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ঠিক ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। এই পরিমাণ মাদক স্থানীয় খুচরা বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তের।
এরপর কী: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মদন মোহন সাহা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এখন কাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই মাদকের উৎস এবং তার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সারকথা: সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আইনের আওতায় আনা হয়েছে অভিযুক্তকে, এখন মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

