- ঝিনাইদহ শহরের ভুটিয়ারগাতী এলাকায় গড়াই পরিবহনের একটি বাসের চাপায় জান্নাতুল ফেরদৌস তুলি (২৭) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন এবং তার স্বামী সেনাসদস্য সোহেল কাজী গুরুতর আহত হয়েছেন।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঝিনাইদহের বাইপাস সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। একজন সেনাসদস্যের পরিবারের ওপর এমন আঘাত স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, যা পরবর্তীতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের রূপ নেয়।
যা ঘটেছে: বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে করে নড়াইল থেকে শৈলকুপার দিকে যাচ্ছিলেন সোহেল কাজী ও তার স্ত্রী তুলি। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা খুলনাগামী একটি দ্রুতগতির বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তুলি প্রাণ হারান।
সংখ্যায়:
- দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর বাইপাস সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়, যা পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ সময় পর স্বাভাবিক হয়।
- এই ঘটনায় জড়িত বাসটি জব্দ করেছে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ।
অন্তরালে যা আছে: দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা সড়কে স্পিডব্রেকার নির্মাণের দাবিতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, এই বাইপাস সড়কে নিয়মিত গতিরোধক না থাকায় প্রায়ই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে।
এরপর কী: পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে আটক করেছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। আহত সেনাসদস্য সোহেল কাজীকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
সারকথা: পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও স্থানীয়রা ওই সড়কে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। আইন অনুযায়ী ঘাতক বাস চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

