জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা এবং হামের প্রকোপে শিশু মৃত্যুর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ: সীমান্তে বিএসএফের অব্যাহত গুলি এবং স্বাস্থ্যখাতের সমন্বয়হীনতায় শত শত শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার চরম দুর্বলতাকে ফুটিয়ে তুলছে। প্রতিবাদকারীরা মনে করেন, শুধু মৌখিক বিবৃতি নয়, বরং সরকারের পক্ষ থেকে শক্ত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
বড় চিত্র: জাতীয় ছাত্রশক্তি অভিযোগ করেছে যে, গত দুই মাসে হাম ও এর উপসর্গে প্রায় ৪০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা মূলত টিকা ব্যবস্থাপনার ত্রুটি এবং আইসিইউ সংকটের ফল। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর ভারতীয় বিএসএফের হামলা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
প্রেক্ষাপট: আন্দোলনকারীদের মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর নাগরিকরা যে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের স্বপ্ন দেখেছিল, বর্তমান সীমান্ত পরিস্থিতি এবং ভঙ্গুর স্বাস্থ্যসেবা তার সম্পূর্ণ বিপরীত। দীর্ঘদিনের সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং রাষ্ট্রীয় উদাসীনতাকে এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে।
এরপরে কী: ছাত্রসংগঠনটি সরকারকে অবিলম্বে পর্যাপ্ত টিকার নিশ্চয়তা প্রদান এবং শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্তে হত্যা বন্ধে সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কতটা দৃঢ় অবস্থান নিতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
সংক্ষেপে: জাবি শিক্ষার্থীরা মনে করেন, রাজনৈতিক দোষারোপ পরিহার করে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বয় ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

