বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা জনকল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে যশোরের বিজয়নগরে অবস্থিত তার পৈতৃক ভিটায় একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ সময়ে একটি স্থায়ী ও স্মরণীয় কাজ রেখে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে ববিতা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তার এই সিদ্ধান্ত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সামগ্রিক চিত্র: সম্প্রতি ববিতা তার দুই বোন সুচন্দা ও চম্পাকে সঙ্গে নিয়ে যশোরের সেই পৈতৃক ভিটা বা দাদাবাড়ি পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করেছেন এবং জায়গাটি চূড়ান্ত করেছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
প্রেক্ষাপট: ১৯৬৮ সালে ‘সংসার’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা ববিতা তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘অশনি সংকেত’ ও ‘দীপু নাম্বার টু’-এর মতো কালজয়ী সিনেমার এই অভিনেত্রী ২০১৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
অন্তরালে যা আছে: ববিতা মনে করেন, পৃথিবীতে কেউ চিরদিন থাকে না, তাই মানুষের উপকারে আসে এমন কিছু করে যাওয়া জরুরি। তিনি এটিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া একটি বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং খুব দ্রুতই মসজিদের নকশা তৈরির কাজ শুরু করবেন।
এরপর কী: মসজিদের নকশা চূড়ান্ত হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে নির্মাণকাজ শুরু হবে। অভিনেত্রী ববিতা এই মহৎ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
সংক্ষেপে: এর আগে অভিনেত্রী রোজিনা নিজ জেলায় মায়ের নামে মসজিদ নির্মাণ করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। ববিতার এই ঘোষণা বিনোদন জগতের তারকাদের জনহিতকর কাজে অংশগ্রহণের প্রবণতাকে আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

