জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি প্রায় ৮০ প্রজাতির দেশীয় ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যেই এই বৃক্ষগুলো থেকে ফল পাওয়া শুরু হবে। এর ফলে নিজস্ব ফল দিয়েই ক্যাম্পাসে ফল উৎসব আয়োজন করা সম্ভব হবে, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সামগ্রিক চিত্র: মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের ‘তরুণের সাধনা সম্মেলন কক্ষে’ বাংলা সমিতি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এই দেশীয় ফল উৎসব-২০২৬ আয়োজন করে। উৎসবে আম, কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, লটকন, আমড়া, ড্রাগন ও কামরাঙ্গাসহ বিশ প্রকারের অধিক দেশীয় ফলের সমাহার ছিল।
এই সম্পর্কিত আরো সংবাদ পড়ুন- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
অন্তরালে যা আছে: উপাচার্য ড. মোশারফ হোসেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাথে ফলের গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ছোটবেলায় আমরা যে পরিমাণ ফলের নাম জানতাম, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই জ্ঞান কমে আসছে। প্রবাদ-প্রবচনে ফলের ব্যবহার আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই।
এরপর কী: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেবল ফল রোপণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং ফল সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সারকথা: এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি দেশীয় সংস্কৃতি ও প্রকৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি অনন্য প্রয়াস।
গভীরেঃ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের গবেষণা ও পর্যটন কেন্দ্র করার ঘোষণা

