যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জিতু (৩৫) নামে পুলিশের তালিকাভুক্ত এক সন্ত্রাসী।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: যশোরের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ জিতুর মৃত্যু এলাকায় নতুন করে অস্থিরতার শঙ্কা তৈরি করেছে। পুলিশের তালিকাভুক্ত অপরাধীদের মধ্যে এই ধরনের সংঘাত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়।
সামগ্রিক চিত্র: বুধবার গভীর রাতে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকায় জিতুর ওপর হামলা চালানো হয়।
- ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে নড়াইলের তুলারামপুরে তার মৃত্যু হয়।
অন্তরালে যা আছে: প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ বা মাদকসংক্রান্ত কোনো বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
- নিহত জিতুর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে, যা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ ইতিহাসকে সামনে আনে।
এরপর কী: পুলিশ ইতিমধ্যে সুমন মিয়া নামে একজনকে আটক করেছে, যার বিরুদ্ধেও ১১টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে।
সারকথা: নিহতের পরিবার দ্রুত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, অপরাধী চক্রের অভ্যন্তরীণ কোন্দলই এই প্রাণহানির মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

