চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবা কারবারের অভিযোগে মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: মাদক কারবারের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এই গ্রেপ্তারটি প্রমাণ করে যে, অপরাধী যেই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং পুলিশ মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
যা ঘটেছে: মঙ্গলবার আধুনগর ইউনিয়নের উত্তর হরিণা ঘাটিয়ার পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মাসুদকে আটক করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং নিজেকে যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
সংখ্যায়: লোহাগাড়ার আধুনগর এলাকাটি মাদক কারবারিদের জন্য একটি রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
- ২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর এটি মাসুদের দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা, যা স্থানীয়দের মধ্যে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবিকে জোরালো করেছে।
ঘটনার পেছনে যা আছে: মাসুদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ নতুন নয়। ২০২৩ সালের জুলাই মাসেও আধুনগরের নির্মাণাধীন রেললাইনে ইয়াবা বেচাকেনার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যা এলাকায় মাদক সিন্ডিকেটের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।
এরপর কী: আটক মাসুদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করা এবং তার পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড খতিয়ে দেখা হবে।
সারকথা: লোহাগাড়া থানার ওসি মুহাম্মদ আবদুল্লাহ স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে পারবে না। পুলিশ নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে মাদকের এই নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

