বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান নিজের শৈশবের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিতলমারীর আড়ুয়াবর্ণী চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: একজন জনপ্রতিনিধির নিজের শিকড়ের প্রতি এই দায়বদ্ধতা স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত মানোন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে। শিক্ষার্থীদের সরাসরি আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।
যা ঘটেছে: সোমবার নিজের সাবেক বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ফ্যানের সংকটের কথা জানানো হলে এমপি মশিউর তাৎক্ষণিকভাবে ছয়টি ফ্যান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বিদ্যালয়টির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ঘটনার অন্তরালে যা আছে: অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সংসদ সদস্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বিদ্যালয়টিকে একসময়ের মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে বর্তমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এরপর কী: বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এখন উন্নয়নের কাজগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় সমাজসেবক ও শিল্পপতিদের অংশগ্রহণ বিদ্যালয়টির সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
সারকথা: স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের এই প্রতিশ্রুতি স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

