পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যার অনুপাতে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা ও সময়াবদ্ধ ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও মমত্ববোধ গড়ে তোলাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। একটি শিশুর সঙ্গে একটি গাছের সম্পর্ক তৈরি করার এই উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গঠনে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে।
সামগ্রিক চিত্র: ডিপিইর সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা বিবেচনা করে কতটি গাছ লাগানো হবে এবং কোথায় লাগানো হবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
ঘটনার পেছনে যা আছে: শুধু পরিকল্পনা নয়, বরং পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুসরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো দিবসকে কেন্দ্র করে বৃক্ষরোপণ না করে বছরব্যাপী একটি পরিকল্পিত সবুজায়ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
এরপর কী: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের এই পরিকল্পনা অনুযায়ী যথাযথভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, নিয়মিত পরিচর্যা ও গাছের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে এই কর্মসূচি সফলতার মুখ দেখবে।
সারকথা: জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশের সবুজায়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের দায়িত্ব অর্পণ করলে তাদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পরিবেশকে আরও মনোরম ও শিক্ষাবান্ধব করে তুলবে।

