- আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও বরিশালসহ দেশের পাঁচটি অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জননিরাপত্তার জন্য জরুরি। বিশেষ করে নৌপথে চলাচলকারী ছোট নৌযানগুলোর জন্য এই সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হঠাৎ আঘাত হানা ঝোড়ো হাওয়া বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
মূল ঘটনা: বুধবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই বিশেষ পূর্বাভাস কার্যকর থাকবে। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।
সামগ্রিক চিত্র: এই অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
- বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতার কারণেই মূলত এই আকস্মিক আবহাওয়া পরিবর্তনের সৃষ্টি হয়েছে।
এরপর কী: সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত মেনে নৌযান চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সতর্কতা বলবৎ থাকবে।
সারকথা: উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের ও নৌযান চালকদের আবহাওয়ার সর্বশেষ খবরাখবর নিয়মিত অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
- বিশেষ করে নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত থাকাকালীন ছোট নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে হবে এবং প্রয়োজনে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

