২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক ক্লাব প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় জার্মানির কার্লসরুহার এসসি এবং ইতালির শক্তিশালী ক্লাব ইন্টার মিলান। জার্মানির বিবিব্যাংক ওয়াইল্ডপার্ক স্টেডিয়ামে ৩১,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মিলান ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
রেফারি ড্যানিয়েল শ্লেগারের পরিচালনায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর খেলার ৫০ মিনিটে কার্লসরুহারের পক্ষে প্রথম গোলটি করেন টিম সিভেজা (Tim Civeja), যেখানে অ্যাসিস্ট করেন মরিটজ ব্রোশিনস্ক।
ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ইন্টার মিলান অতিরিক্ত সময়ে নাটকীয়ভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। ৯০+১’ মিনিটে অ্যান্ডি দিউফ (Andy Diouf) ইন্টারের পক্ষে সমতাসূচক গোলটি করেন এবং ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ৯০+’ মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির (Alessandro Bastoni) সহায়তায় দিউফ পুনরায় গোল করে ইন্টার মিলানের ২-১ ব্যবধানের নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন।
ম্যাচটিতে ইন্টার মিলানের বল পজেশন ছিল ৫৬% এবং তারা মোট ২৪টি শট নেয়, যার মধ্যে ১১টি শটই ছিল অন-টার্গেট. অন্যদিকে কার্লসরুহার ৪৪% বল পজেশন নিয়ে ১২টি শট নিতে সক্ষম হয়। এই ম্যাচ সম্পর্কিত যেকোনো আপডেট ও লাইভ স্কোর দেখতে ভিজিট করতে পারেন 365Scores.
একই দিনে ফ্রান্সের স্তাদ পিয়েরে ডি কুবার্টিন স্টেডিয়ামে আরেকটি অবিশ্বাস্য ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ফরাসি ক্লাব কান (Cannes) এবং ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমার মধ্যে জিয়ান পিয়েরো পেরিনির অধীনে এএস রোমা প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করেছিল, যেখানে পাওলো দিবালা দুটি (৩৪’ ও ৫৫’) এবং ডনিয়েল মালেন একটি (৪৩’) গোল করেন. কিন্তু ৪৫+১’ মিনিটে রোমার খেলোয়াড় ওয়েসলি লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়লে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে কান দলের কোচ একসঙ্গে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন. এরপরই কানের ঐতিহাসিক ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প শুরু হয়। বদলি খেলোয়াড় জুলিয়েন লোপেজ ৬৯’ এবং ৮৮’ মিনিটে দুটি গোল করে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৯০+৭’ মিনিটে ব্রাইস ওগাড (Brice Oggad) পেনাল্টি থেকে গোল করে কানকে ৩-৩ সমতায় ফেরান এবং ম্যাচটি ড্রতে শেষ হয়।

