তফসিল ঘোষণা না হলেও ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদের জন্য নয়জন সম্ভাব্য প্রার্থী আগাম প্রচারণা শুরু করেছেন।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ: দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সেবার মান নিয়ে পীরগঞ্জ পৌরবাসীর মনে তীব্র অসন্তোষ কাজ করছে। এবার ভোটাররা প্রার্থীর দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত সততা, কাজের যোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বেশি মূল্যায়ন করবেন।
পেছনের গল্প: সরকারি মহলের ইঙ্গিত অনুযায়ী চলতি বছরের অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। এই সম্ভাবনাকে ঘিরে পীরগঞ্জে ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং প্রার্থীরা ঈদকে কেন্দ্র করে পোস্টার, লিফলেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোরদার প্রচারণা চালাচ্ছেন।
সংখ্যার হিসাবে:
- ৯ জন সম্ভাব্য প্রার্থী এখন পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় আছেন।
- ৬ জন প্রার্থী নিয়ে নির্বাচনী দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাঠপর্যায়ের দল বিএনপি।
- ৩ টি ভিন্ন ধারা থেকে অন্য প্রার্থীরা আসছেন, যার মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের ১ জন এবং ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
দলের সমীকরণ: বিএনপি থেকে জিল্লুর রহমান জুয়েল, রেজাউল করিম রাজা এবং আসাদুজ্জামান চৌধুরী মানুসহ ছয়জন শীর্ষ নেতা ভোটের মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করলেও এখনো কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেনি।
ভোটারদের ভাবনা: পৌর এলাকার সাধারণ মানুষ এবং তরুণ ভোটাররা ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রাস্তা সংস্কারের মতো দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান চান। তারা এমন একজন নগরপিতা খুঁজছেন যিনি নির্বাচনের পরেও সবসময় জনগণের পাশে থাকবেন।
সামনে যা আসছে: আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার পর প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো একক প্রার্থী চূড়ান্ত করলে এই নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। তবে বর্তমানের এই বহুমুখী প্রতিযোগিতা পীরগঞ্জে একটি উৎসবমুখর ও জমজমাট লড়াইয়ের স্পষ্ট আভাস দিচ্ছে।

