মালয়েশিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় যশোরের প্রবাসী হাফিজুর রহমানের মৃত্যু।
মালয়েশিয়ায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের সংঘর্ষে যশোরের ঝিকরগাছার বাসিন্দা প্রবাসী হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: প্রায় তিন দশক ধরে প্রবাসে থাকা একজন কর্মঠ ব্যক্তির অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও নিজ গ্রাম আলিপুরে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনাটি প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও ঝুঁকির বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এল।
সামগ্রিক চিত্র: নিহত হাফিজুর রহমান ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় তার মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
অন্তরালে যা আছে: দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত হাফিজুর রহমান কয়েক বছর আগে দেশে ফিরে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান। সেখানে তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে, যাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন এখন পিতার মৃত্যুতে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এরপর কী: মালয়েশিয়ায় প্রয়োজনীয় আইনি ও দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী সোমবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। কুয়ালালামপুরের পুচং এলাকায় তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ অংশ নিয়েছেন।
সংক্ষেপে: হাফিজুর রহমানের অকাল প্রয়াণ তার পরিবার ও স্বজনদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বর্তমানে তার গ্রামের বাড়িতে শোকাতুর স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় বাড়ছে এবং সবাই মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।

