রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে নগরীর মাদক, কিশোর গ্যাং এবং চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন জনসংশ্লিষ্ট সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন সাংবাদিক নেতা আবু কাওসার মাখন।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: রাজশাহী মহানগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে এই সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। কমিশনারের সাথে এই আলোচনার মাধ্যমে নগরীর অপরাধ দমনে পুলিশের বর্তমান অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার একটি স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে।
সামগ্রিক চিত্র: আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক, কিশোর গ্যাং এবং চাঁদাবাজি নির্মূলকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের চলমান অভিযান ও তৎপরতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং এ কাজে সকলের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন।
অন্তরালে যা আছে: সাংবাদিক নেতা আবু কাওসার মাখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে গড়ে ওঠা মাইক্রোবাস সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। অভিযোগ রয়েছে, অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়ি থেকে এই সিন্ডিকেট ২ হাজার টাকার পরিবর্তে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে আদায় করছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এরপর কী: সাংবাদিক নেতাদের উত্থাপিত প্রতিটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন আরএমপি কমিশনার। আশা করা হচ্ছে, পুলিশের পক্ষ থেকে খুব দ্রুতই এই সিন্ডিকেট ও অপরাধী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটবে।
সংক্ষেপে: নগরীর সি অ্যান্ড বি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্য এবং মোটরসাইকেল ব্যবহার করে ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নগরবাসীর মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, মাদক কারবারিদের বারবার ফিরে আসা এবং গ্রেপ্তার হওয়ার পরও অল্প সময়ে জামিনে বেরিয়ে পুনরায় অপরাধে জড়ানোর বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

