যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: এই আয়োজনটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি অংশ। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জাতীয় ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও আত্মত্যাগের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সামগ্রিক চিত্র: ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার কাজী জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
অন্তরালে যা আছে: বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম আকরামুজ্জামান মোনাজাত পরিচালনা করেন। দোয়া মাহফিলে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।
এরপর কী: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত রাখতে ভবিষ্যতে আরও কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে। দোয়া মাহফিল শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা বহন করে।
সংক্ষেপে: যবিপ্রবি প্রশাসন জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতীয় বীরদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেছে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এই আয়োজনের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে একটি শোকাবহ অথচ শ্রদ্ধাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছে, যা শহীদদের আত্মত্যাগের মহিমাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে
- বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলটি মূলত একটি শোকাবহ দিনকে স্মরণীয় করে রাখার প্রয়াস।

