২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের স্মরণে যশোরে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে বিপ্লবের চেতনা ও আত্মত্যাগের ইতিহাসকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার একটি আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
মূল ঘটনা: যশোর শহরের বকুলতলাস্থ ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে, যেখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থী পর্যন্ত সবাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অন্তরালে যা আছে: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান ও পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সরকারি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণে এক বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়।
এরপর কী: জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে এবং তাঁদের আত্মত্যাগের আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে স্থানীয়ভাবে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সংক্ষেপে: জেলা বিএনপি, এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জুলাই বিপ্লবের বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সংখ্যায়: জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদ, সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ অন্তত ডজনখানেক সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা আজ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেছেন, যা যশোরের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

