তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হারিয়ে যাওয়া ৪৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিয়েছে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: সাধারণ মানুষের হারানো শখের ডিভাইস উদ্ধারের মাধ্যমে পুলিশি সেবার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং যে অপরাধ দমনে কতটা কার্যকর, এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সামগ্রিক চিত্র: মঙ্গলবার দুপুরে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগীদের হাতে ফোনগুলো তুলে দেওয়া হয়।
- জেলা পুলিশের ‘সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল’ দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
অন্তরালে যা আছে: পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত করে। এই জটিল প্রক্রিয়ায় সফল হওয়ার পেছনে পুলিশের সাইবার সেলের চৌকস সদস্যদের নিরলস পরিশ্রম ও কারিগরি দক্ষতা মূল ভূমিকা পালন করেছে।
এরপর কী: রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জনসেবা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এই প্রযুক্তিগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ব্যবস্থার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সারকথা: হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের নেতৃত্বে পরিচালিত এই মানবিক ও পেশাদার উদ্যোগটি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
সংখ্যায়:
উদ্ধারকৃত ফোনের সংখ্যা ৪৭টি। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ ইকবাল হোছাইনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

