ভুল সংশোধনের জন্য গতকাল জারিকৃত মাদ্রাসার নতুন বদলি নীতিমালাটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ: নীতিমালার একটি ভাষাগত ভুলের কারণে শুধু এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাচ্ছিলেন। এই সংশোধনের ফলে ইনডেক্সধারী সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকই বদলির সমান সুযোগ পাবেন।
পটভূমি: গত মঙ্গলবার বিকেলে “স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬” জারি করা হয়। সেখানে ‘এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এবং এমপিওভুক্ত’ লেখার পরিবর্তে ভুলবশত শুধু ‘সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত’ শব্দবন্ধটি যুক্ত হয়েছিল।
নীতিমালার মূল শর্তাবলী:
- অভিজ্ঞতা ও সীমা: প্রথম যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষকরা বদলির আবেদন করতে পারবেন। একজন শিক্ষক তার সমগ্র কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।
- কোটা ও বিধি-নিষেধ: একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ে একের অধিক শিক্ষককে বদলি করা যাবে না।
- অগ্রাধিকার: একাধিক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নারী, দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শিক্ষক অগ্রাধিকার পাবেন।
প্রক্রিয়া ও অন্যান্য:
- অনলাইন সমন্বয়: সম্পূর্ণ বদলি প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে সম্পন্ন হবে এবং এটি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিষ্পত্তি করবে।
- সময়সীমা: বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, ভুলটি সংশোধন করে আজই নতুন করে প্রজ্ঞাপনটি পুনরায় জারি করা হবে। এই নীতিমালা কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী বদলি নীতিমালাটি পুরোপুরি রহিত হয়ে যাবে। নতুন প্রজ্ঞাপন দেখুন এই ঠিকানায়

