যশোরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সফল ১৫৪৫ শিক্ষার্থী, ট্যালেন্টপুলে ৬২২ জন।
যশোর জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ হাজার ৫৪৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভের গৌরব অর্জন করেছে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় আয়োজিত এই বৃত্তি পরীক্ষা প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই ও তাদের উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক। এই ফলাফল শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শিক্ষাজীবনে ভালো করার জন্য বড় ধরনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
সামগ্রিক চিত্র: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ১২ হাজার ২৮০ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে বিভিন্ন কারণে ৮ হাজার ৬৯৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্য থেকে ১ হাজার ৫৪৫ জনকে বৃত্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সংখ্যায়: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬২২ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৯২৩ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে যশোর সদর উপজেলা থেকে সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনের কৃতিত্ব দেখিয়েছে।
অন্তরালে যা আছে: ২০০৯ সালের পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ২০২৫ সালে পুনরায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হলেও, কিছুটা বিলম্বের পর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
এরপর কী: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর কবীর জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে যথাসময়ে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন ও ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
সংক্ষেপে: যশোরের আটটি উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ফলাফলে অংশীদার হয়েছে। এই সাফল্য স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

