নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)-এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ: নেসকোর সদর দপ্তর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত রাজশাহীর প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই কার্যালয়টি রাজশাহীর উন্নয়নের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু, যা সরিয়ে নিলে অঞ্চলটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে পড়বে।
সামগ্রিক চিত্র: রাজশাহীবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় সরিয়ে নেওয়ার যে গুঞ্জন বা প্রস্তাব উঠেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
অন্তরালে যা আছে: স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নেওয়ার এই উদ্যোগ আঞ্চলিক বৈষম্যকে উসকে দেবে। রাজশাহী মহানগর বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে, যা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এরপর কী: আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন রাজশাহীর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সদর দপ্তর স্থানান্তরের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়।
সংক্ষেপে: রাজশাহীর ন্যায্য অধিকার ও আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখতে হবে বলে একাট্টা হয়েছেন স্থানীয়রা। কোনো ধরনের আপস ছাড়াই তারা এই দাবি আদায়ে অটল থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

